ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত বগুড়ার বাঘোপাড়ায় গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে পুড়ে ৫টি দোকান ভস্মীভূত প্রায় ৫০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

14

ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত বগুড়ার বাঘোপাড়ায় গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে পুড়ে ৫টি দোকান ভস্মীভূত প্রায় ৫০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন

এস আই সুমন,স্টাফ রিপোর্টারঃ
বগুড়া সদরের বাঘোপাড়ায় নিমিষেই পুড়ে ছাই হয়ে গেল ৫টি দোকান।
মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া সদর উপজেলার গোকুল ইউনিয়নের রংপুর বগুড়া মহাসড়কের বাঘোপাড়া বন্দরে মোখলেছার রহমানের ভাই-ভাই মার্কেটে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লেগে পর-পর ৫টি দোকান পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা জানান, এতে প্রায় ৫০লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। পরে বগুড়া সদর ও শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস টিমের যৌথ চেষ্টায় ১ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে।
ভাই-ভাই মার্কেটের ব্যাবসায়ী আব্দুর রহিম জানান, মঙ্গলবার দুপুরে তার নিজের ওয়ার্কসপে কর্মচারীদের সাথে সে নিজেই লেদের কাজ করছিলেন, হঠাৎ করে গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন ধরে চতুর দিকে ছড়িয়ে যায়। প্রাণ বাঁচাতে ওয়ার্কসপের ভিতর থেকে সবাই ছুটোছুটি করে বাহিরে যায়। সিলিন্ডারের আগুন নিমিষেই আশপাশের আরও ৫টি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় ভাবে এলাকাবাসী আগুন নিভানোর চেষ্টা করে। একদিকে গ্যাসের আগুন অন্যদিকে বিদ্যুতের তার। অনেকে দুর থেকে দেখেছে কিন্তু কাছে আসেনি। বগুড়া সদর ও শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে প্রায় ১ঘন্টা পর বগুড়া ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ও শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিটের যৌথ চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে।
ততক্ষণে ৫টি দোকানের মালামাল প্রায় সম্পন্ন পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্থ ওয়ার্কসপের মালিক শাকিল হোসেন জানায় তার দোকানে প্রায় ২লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। ভাই-ভাই মেশিনারীর মালিক নূর আলম জানান, তার দোকোনে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার মটোরপার্স ছিল সবগুলোয় পুড়ে গেছে। আব্দুর রহিম ওয়ার্কসপ ও মোটর্স পার্স এর মালিক রহিম জানান, তার তিনটি দোকান মিলে প্রায় ২০লক্ষাধিক টাকার মালামাল ও নগদ ২লক্ষ টাকা পুড়ে গেছে। দুই ভাই মেশিনারী এন্ড ওয়ার্কসপের মালিক জাফরুল ইসলাম জানান তার প্রায় ২লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। শাহীন স্টিল হাউজের মালিক সাহিন মিয়া জানান, তার দোকানে প্রায় ১লক্ষ টাকার মালামাল পুড়েছে। বগুড়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মানিকুজ্জামান জানান, আমরা ফোন পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে আসার যথাসাধ্য চেষ্টা করি। কিন্তু পথে জ্যাম থাকায় কিছিটা সময় বেশি লেগেছে। তবে বগুড়ার ৩টি ও শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিটের যৌথ চেষ্টায় আমরা অতি তাড়াতাড়ি আগুন নিয়ন্ত্রনে এনেছি। এলাকাবাসীও আমাদের সহযোগিতা করেছে। আগুন লাগার খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বগুড়া সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রেজাউল করিম রেজা, বগুড়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান শফিক, গোকুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যন মোঃ সওকাদুল ইসলাম সরকার সবুজ প্রমুখ।

এস আই সুমন
স্টাফ রিপোর্টার,বগুড়া।
তারিখঃ ১৩/১০/২০২০ ইং