এম.সি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের ঘটনায় প্রযুক্তি দলের নিন্দা ও ক্ষোভ।

138

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রযুক্তি দল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা-  এম এ হাসান সুমন ও  সাধারন সম্পাদক শিহাব উদ্দিন  সিয়াম।

২৬ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা বলেন, সিলেটের পবিত্র মাটিতে ধর্ষণের মতো একটি ঘৃণ্য ঘটনা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। ১২৮ বছরের ঐতিহ্যবাহী এম.সি কলেজের মর্যাদা ভুলন্ঠিত করে নষ্ট রাজনীতির ছত্রছায়ায়
সন্ত্রাসীরা একের পর এক ঘৃণ্য ঘটনার জন্ম দিয়ে যাচ্ছে। ধর্ষণ ও হত্যার মতো ঘটনা ঘটিয়েও অপরাধীরা বীরদর্পে ঘুরে বেড়ায়। এর পূর্বেও এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রাবাস ছাত্রলীগের নামধারী ক্যাডাররা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এখনও পর্যন্ত একটি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার আমরা দেখতে পাইনি।

রাতের অন্ধকারে ভোট ডাকাতির এই সরকার সারাদেশকে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে। অবাধ লুটতরাজ, খুন, গুম, ধর্ষণ আর গণ নির্যাতন আজ নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। প্রত্যেকটি ঘটনায় কয়েকদিন নাটক
তামাসার পর এদের পৃষ্টপোষক এই লুটেরা অবৈধ সরকার সন্ত্রাসী অপরাধীদের দায়মুক্তির ব্যবস্থা করে। মানুষের স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপনের নুন্যতম পরিবেশ এরা অবশিষ্ট রাখেনি। দেশের সম্পদ এদের লুট আর ভোগবিলাসের উপকরণ।
মা বোনের সমভ্রম এদের লালসা মিটানোর উপকরণ। এ এক অভিশপ্ত সরকার। মিজান
চৌধুরী অনতিবিলম্বে নারী ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের এই ঘৃণ্য ঘটনার দৃষ্টান্তমুলক সুষ্ট বিচার ও অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রফতারের দাবি জানান।
তিনি বরাবরের মত অপরাধীদের আশ্রয়দাতা না সাজার জন্য সরকারকে সাবধান করে দেন। তিনি বলেন সীমা লংঘনকারীর ধ্বংস অনিবার্য।

এছাড়াও এ ন্যাক্কারজনক ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী প্রযুক্তি দলের প্রধান সমন্বয়ক সাবেক ছাত্রনেতা মজিবুর রহমান মঞ্জু, প্রযুক্তি দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম জহিরুল ইসলাম মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।