মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন বেঙ্গলের মৃত্যুতে সাংসদ গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরীর শোক

53

 

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল কর্মজীবনে একজন রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। পরে সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বিএনপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উপদেষ্টা ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ গঠিত প্রথম দল জনদলের মাধ্যমে। এই দলের এক নম্বর প্রতিষ্ঠাতা ও সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। এরই মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়। পরে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি দলে যোগ দেন এবং এই দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৮ সালের নির্বাচনে সাবেক চাঁদপুর-৬ (বর্তমানে চাঁদপুর-৪) এবং ঢাকা-১০ (রমনা) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পান। জাতীয় পার্টির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চিফ কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯১ সালের নির্বাচনে। পরবর্তীকালে তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন জাতীর ক্রান্তিলগ্নে ইসলাম হোসেন বেঙ্গল চলে যাওয়া দেশের জন্য অপূরনীয় ক্ষতি। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুক এবং তার পরিবারকে ধৈর্য্য ধরার তৌফিক দান করুক আমিন।