স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু’র অকাল মৃত্যুতে জাতীয়তাবাদী প্রযুক্তি দলের শোক

68

 

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতালে ভোর ৪ টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।

(ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)

তার অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ” বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রযুক্তি দল কেন্দ্রীয় সংসদ।

এক শোকবার্তায় জাতীয়তাবাদী প্রযুক্তি দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এম এ হাসান সুমন বলেন – “দুরারোগ্য ব্যধি ক্যাান্সারে আক্রান্ত হয়ে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু’র মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যাথিত।

তিনি আরো বলেন-বন্দুকের নলের মুখেও গণতন্ত্র পূনরুদ্ধারের লড়াইয়ে যিনি ছিলেন সম্মুখ সমরের যোদ্ধা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে শাণিত করার ব্রতই ছিলো যার ধমনিতে, শিরা-উপশিরায়, তাঁর অভাব পূরণ হবার নয়।

তার মৃত্যু এই দু:সময়ে আমাদের সকলের জন্য বেদনার ও কষ্টের। মরহুম শফিউল বারী বাবু ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়ে পরবর্তীতে দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক পদে কাজ করেছেন নিরলসভাবে।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুণরুজ্জীবনের আন্দোলনে সামিল থেকেছেন তরুণদের নেতা হিসেবে।

গণতন্ত্রের প্রতি ছিল তার দায়বদ্ধতা। দলের সকল সংকট কালে তার সাহসী নেতৃত্ব ছিল নেতাকর্মীদের জন্য প্রেরণার। বর্তমান রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে সরকারী জুলুম-নির্যাতনের মধ্যেও সাহসের ওপর ভর করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতেন। এই কারণে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও তাকে জেল-জুলুমের শিকার হতে হয়েছে।

মরহুম শফিউল বারী বাবু ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন ছাত্ররাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা নিয়ে এসেছিলেন। সৎ, কর্মীঘনিষ্ঠ ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে তার পরিচয় পাওয়া যায় ছাত্রজীবন থেকেই। রাজনীতিকেই জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন তিনি। দলের কর্মসূচি পালনে তিনি ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ।

স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হিসেবে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে দেশের যেকোন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে উপদ্রুত মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। বর্তমান বৈশ্বিক মহামারী করোনার থাবায় আতঙ্কিত ও নিরন্ন মানুষের কাছে ত্রাণ তৎপরতায় বাবু যে দৃষ্টান্ত রেখেছেন তা নিঃসন্দেহে অনুকরণীয়।

শহীদ জিয়ার জাতীয়তাবাদী দর্শণ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্ব ছিল মরহুম শফিউল বারী বাবু’র পথ চলার প্রেরণা।
তার এই অকাল মৃত্যুতে আমি শোক জানানোর ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। আমি দোয়া করি মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুক আমিন।

আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকাহত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

এদিকে শফিউল বারী বাবুর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে জাতীয়তাবাদী অনলাইন এ্যাক্টিভিস্টদের মধ্যে। সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে  বাবুর শোকে কাতর জাতীয়তাবাদী পরিবার,

জাতীয়তাবাদী প্রযুক্তি দল কেন্দ্রীয় সংসদের সিনিয়র সহ-সভাপতি, সহ-সভাপতি বৃন্দ, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বিভিন্ন সম্পাদকমণ্ডলী ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ নিজ অবস্থান থেকে এই বিপ্লবীর মৃত্যুতে গভীর শোক এবং সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।