জমি নিয়ে বিরোধ, মামলায় প্রতিপক্ষকে হয়রানির অভিযোগ!

31

নোয়াখালীর চাটখিলে পৈত্রিক সম্পত্তির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে পরিকল্পিত মামলায় প্রতিপক্ষ পরিবারের অন্য সদস্যদের ফাঁসাতে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে মামলা ও হয়রানির শিকার হচ্ছে ভুক্তভোগীরা।

ওই থানার ২ নং রামনারায়ণপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর কলিমিয়া পাটোয়ারী বাড়ির মরহুম মোহাম্মদ উল্লাহ্ ভূঁইয়া সন্তান শামসুল ইসলাম ও নজরুল ইসলামের মধ্যে এ বিরোধ সৃষ্টি হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ধর্মপুর কলিমিয়া পাটোয়ারী বাড়ির মোহাম্মদ উল্লাহ ভূঁইয়ার জীবদ্দশায় উনার ছেলে শামসুল ইসলামের টাকা দিয়ে মোহাম্মদ উল্লাহ এর নামে জমি কেনা জায়গা ভরাট হয়। পরে উনি জীবিত থাকা অবস্থায় ওখানে শামসুল ইসলাম ঘর করেন। ওই ঘরের ইলেকট্রিক বিল হোল্ডিং নাম্বারটাও শামসুল ইসলামের নামে।

গত কিছুদিন আগে শামসুল ইসলাম পুরাতন ঘরটা সংস্কার করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই সুবাধে কাতার প্রবাসী শামসুল ইসলাম উনার বাড়ির মাহফুজের সাথে যোগাযোগ করেন। ঘর ভাঙার জন্য মাহফুজ ওই এলাকার’ই কন্ট্রাক্টর রুবেলের সাথে শামসুল ইসলামের সম্মতিতে চুক্তিবদ্ধ হন। এবং ঘর ভাঙার কাজও করেন।

এ দিকে মরহুম মোহাম্মদ উল্লাহ ভূঁইয়ার আরেক ছেলে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী নজরুল ইসলাম ঘরের মালিকানা দাবি করেন। এতে ১নং আসামি উনাদের ভাগিনী জামাতা শহিদুল্লাহ্ বাবলু। ২নং বড় ভাই নুরুল ইসলাম। ৩নং বড় বোন আলেয়া বেগম। ৪নং মাহফুজ। ৫নং কন্ট্রাক্টর রুবেলকে আসামি করে চুরি, হুমকি, অনধিকার প্রবেশ, লুটপাটের মিথ্যা বানোয়াট হয়রানি মুলুক মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী শহিদুল্লাহ বাবলু জানান, আমি শহিদুল ইসলাম ও নজরুল ইসলামের ভাগিনী জামাতা। বিষয়টি উনাদের দুই ভাইয়ের উনারা সামাজিক ভাবে বসে এগুলো সুরাহা করুক। আমি এগুলোর কিছুই জানিনা, কিন্তু কোন এক গুষ্ঠি নজরুল ইসলামকে (মামা) উস্কে দিয়ে আমাকে হয়রানি মুলুক মিথ্যা মামলা করেন। বিষয়টি সম্ভবত অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মামাও (নজরুল ইসলাম) জানেনা।

তিনি বলেন, আমরা সবাই দেশ ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এ ঘটনায় তদন্তপূর্বক সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি আমরা।