চম্পাকে একাধিকবার ধ’র্ষণের পর হ’ত্যাকরে ফেলে দেয়া হয়

383

 

কক্সবাজারের চকরিয়ায় চলন্ত সিএনজি চালিত অটোরিকশা থেকে জ’বাই করা ম’রদেহ ফেলে দেয়া তরুণীর হ’ত্যাকারিকে গ্রে’ফতার

করেছে র‍্যাব-১৫ এর সদস্যরা। শুক্রবার সন্ধ্যায় র‍্যাব-১৫ এর মিডিয়া সমন্বয়ক আবদুল্লাহ মো. শেখ শাদী এক তথ্য বি’বরণীতে জানিয়েছেন, অ’ভিযুক্ত সিএনজি

 

চালককে গ্রে’ফতার এবং সিএনজিটিও জ’ব্দ করা হয়েছে। হ’ত্যার আগে চম্পা (১৮) কে একাধিকবার ধ’র্ষণ করে ঘা’তকরা। পরে সড়কে ফেলে তাকে হ’ত্যা করা হয়। ম’য়না ত’দন্ত প্রতিবেদনে

এসব তথ্য উঠে আসে বলে জানান র‌্যাব-১৫ অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ। ধ’র্ষণ ও হ’ত্যাকারী হিসেবে স্বীকারোক্তি দেয়া গ্রে’ফতার মো. জয়নাল আবেদীন (১৮) কক্সবাজারের পেকুয়ার মেহেরনামার নন্দীরপাড়ার

 

মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তার সাথে জ’ড়িত প’লাতক সাজ্জাদ হোছাইন (৩০) পেকুয়ার শেখেরকিল্লার আবুল হোছাইনের ছেলে। তাকে ধ’রতে অ’ভিযান চা’লিয়ে যাচ্ছে র‍্যাবের বিশেষ টিম। হ’ত্যার শি’কার তরুণী চম্পা খাতুন (১৮) কক্সবাজার সদরের খরুলিয়ার নয়াপাড়ার নছিমন

চালক রুহুল আমিনের বড় মে’য়ে ও রামুর তেচ্ছিপুল এলাকার শাহ আলমের স্ত্রী। লকডাউন শুরুর আগে চট্টগ্রামে ফুফুর বাসায় বেড়াতে গিয়ে মা-বাবার জন্য মন কাঁ’দায় শত নি’ষেধের পরও বুধবার লকডাউন ঝুঁ’কিতে সিএনজি চালিত অটোরিকশা যোগে তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।

 

চকরিয়া এসে হ’ত্যার শি’কার হন। র‍্যাব-১৫ সূত্র জানায়, লকডাউনের মাঝে গত বুধবার (৬ মে) চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়ার নয়াপাড়ায় বাবার বাড়িতে আসছিলেন ১৮ বছরের তরুণী চম্পা। সন্ধ্যার দিকে চকরিয়া সীমান্তে পৌঁছার পর তাকে সিএনজি চালক পেকুয়ার দিকে নিয়ে যায়। রাতে চকরিয়া-পেকুয়া-বাঁশখালী

আঞ্চলিক সড়কের চকরিয়ার কোনাখালী ইউনিয়নের মরং ঘোনা এলাকায় গ’লা কে’টে তাকে হ’ত্যার পর সিএনজি থেকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে চলে যায় দু’র্বৃত্তরা। ফেলে দেয়ার সময় ম’রদেহটির মুখ ওড়নায় পেঁ’চানো অবস্থায় ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ রাত সোয়া ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌছে ম’রদেহটি উ’দ্ধার করে। ম’য়না ত’দন্তের রি’পোর্টে জানা গেছে ,তাকে হ’ত্যার আগে ধ’র্ষণ করা হয়েছে।

 

তখন তাকে চট্টগ্রাম থেকে বহন করে আনা সিএনজি চালকের মোবাইল নাম্বারটি সংগ্রহ করে ত’দন্তে নামে র‍্যাব সদস্যরা। তার এবং পেকুয়া সড়কে চলাচলকারী সিএনজি সমিতির লাইনম্যান ও জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় নি’হত চম্পাকে সর্বশেষ বহন করা সিএনজির চালক জয়নালকে স’নাক্ত করা হয়। আটকের পর জি’জ্ঞাসাবাদে জয়নাল তরুণী চম্পাকে হ’ত্যার কথা অ’কপটে স্বীকার করে। হ’ত্যার আগে তাকে ধ’র্ষণও করা হয় বলে জানায় জয়নাল।

 

তার এ কাজে সহযোগী হয়েছে সাজ্জাদ। দুজন মিলেই তাকে ধ’র্ষণ ও হ’ত্যার পর নিজেদের বাঁ’চাতে সড়কের উপর ফেলে দেয়া হয় বলেও জানায় গ্রে’ফতার জয়নাল। উল্লেখ্য, বুধবার রাত ১০টার দিকে চকরিয়া-পেকুয়া-বাঁশখালী সড়কের কোনাখালী ইউনিয়নের মরংঘোনা এলাকায় সড়কে এক তরুণীর লা’শ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খ’বর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ লা’শ উ’দ্ধার করে এবং নি’হত তরুণীর পিতা ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়ের লা’শ শ’নাক্ত করে। এসময় চম্পা চট্টগ্রামের ফুফুর বাসা থেকে কক্সবাজারে নিজ বাড়িতে ফিরছিল।